Un gouvernement du PQ serait « très proactif » sur la scène internationale
· La Presse
· La Presse
· Prothom Alo
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফর শেষ হতে না হতেই আগামী সপ্তাহে চীন সফরে যাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টে আজ শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
Visit fishroad-app.com for more information.
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ২০ মে পুতিনের এক দিনের এই সংক্ষিপ্ত সফর অনুষ্ঠিত হতে পারে। সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, এই সফর বেইজিং ও মস্কোর মধ্যকার একটি নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের অংশ। তাই এ সফরে বড় কোনো আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ বা জমকালো অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা কম।
তবে বেইজিং বা মস্কো—কোনো পক্ষই এখনো সফরের সুনির্দিষ্ট তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
আজ শুক্রবার ট্রাম্প তাঁর তিন দিনের চীন সফর শেষ করেছেন। দীর্ঘ ৯ বছরের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটাই প্রথম চীন সফর ছিল। সফরে ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য, তাইওয়ান ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বৈঠক করেন।
পুতিনের এ সফরের মাধ্যমে বহুপক্ষীয় কোনো সম্মেলন বা আন্তর্জাতিক আয়োজন ছাড়াই ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই মাসে বিশ্বের দুই শীর্ষ পরাশক্তির নেতাকে আতিথেয়তা দেওয়ার নজির গড়তে যাচ্ছে চীন।
এর আগে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে সি চিন পিং ও পুতিনের মধ্যে সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ গতকাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, পুতিনের চীন সফরের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। তিনি বলেন, ‘আমরা খুব শিগগির সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেব। সফরের প্রস্তুতি চলছে। বলা যায় প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শেষ। এখন শুধু শেষ মুহূর্তের কিছু কাজ বাকি। নিকট ভবিষ্যতেই এটি অনুষ্ঠিত হবে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের বেইজিং সফরের পর পুতিনের সম্ভাব্য এ সফরের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পেসকভ বলেন, ট্রাম্পের বেইজিং সফরের ওপর এটি নির্ভর করছে না। বরং আগে থেকেই এ বিষয়ে আশাবাদী ছিল রুশ নেতৃত্ব।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন আজ সাংবাদিকদের বলেছেন, দুই প্রেসিডেন্টের বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে বেইজিং ও মস্কো নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছে। উপযুক্ত সময়ে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
ভ্লাদিমির পুতিনের এই সফর সফল হলে এক অনন্য আন্তর্জাতিক রেকর্ডের অধিকারী হবে চীন। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাকি চার স্থায়ী সদস্যদেশের সরকারপ্রধানদের আতিথেয়তা দেওয়া একমাত্র দেশ হবে চীন।
নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যদেশ হলো রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার চীন সফর করেছিলেন।
· Financial Post