Britons would face wartime-style rationing of meat, dairy, petrol and flights under new Green Party plans - and they could end up in coalition with Burnham's Labour
· Daily Mail

· Daily Mail

· NBC News
· Prothom Alo

বান্দরবানে গতকাল শনিবার বিকেল থেকে বৃষ্টি কমে আসায় সাঙ্গু নদের পানি নামতে শুরু করেছে। তবে জেলা শহরের অধিকাংশ এলাকার মানুষ এখনো পানিবন্দী। বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়ক, বান্দরবান-রাঙামাটি ও জেলা সদরের সঙ্গে আলীকদম, রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলার সড়ক পানির নিচে তলিয়ে আছে। কোথাও কোথাও পাহাড়ধসের পাশাপাশি সেতুও বিধ্বস্ত হয়েছে। কার্যত বান্দরবান বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যায় রাস্তা-ঘাট, অবকাঠামোর পাশাপাশি কৃষি খাতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলার সাড়ে তিন হাজার একর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।
Visit amunra.help for more information.
আজ রোববার সকালে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকার ঘুরে দেখা গেছে, বন্যায় প্লাবিত কিছু এলাকার পানি নেমে যাচ্ছে। যাঁদের ঘরবাড়ি থেকে পানি নেমে গেছে, তাঁরা পলি ও কাদা পরিষ্কার করছেন। আট দিন ধরে পানিতে ডুবে থাকা আর্মিপাড়ার লোকজন জানিয়েছেন, রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেড় থেকে দুই ফুট পানি নেমে গেছে। বালাঘাটা পুলিশ লাইন এলাকায় সকাল ১০টায়ও নৌকা দিয়ে লোকজন পারাপার হয়েছে। একই অবস্থা ইসলামপুর, কাসেমপাড়ার কিছু অংশ, লেমুঝিরি, ক্যাচিংঘাটাসহ আরও কয়েকটি এলাকায় নৌকা চলছিল।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কৃষিতে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক আবু নাঈম মো. সাইফুদ্দিন জানিয়েছেন, আমনের বীজতলা, গ্রীষ্মকালীন সবজিখেত, জুমখেত, আদা, হলুদ ও ফলের বাগান তলিয়ে গেছে। প্রাথমিক হিসাবে পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে ৩ হাজার ৭০২ একর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। তবে বন্যার পরে মাঠপর্যায়ে পরিদর্শনে গেলে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়বে।
জানালা দিয়ে পানি নিচ্ছেন ডুবে যাওয়া বাড়ির এক বাসিন্দা। আজ সকালে বান্দরবানের উজানীপাড়া থেকে তোলাসড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কের শীলক খালের ওপর ব্রিজঘাটা বেইলি সেতু প্রায় সম্পূর্ণ ভেসে গেছে। ওই সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হতে দুই সপ্তাহ লাগতে পারে। পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে সড়ক তলিয়ে থাকায় বান্দরবান-চট্টগ্রাম সড়কে তিন দিন ধরে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। রুমা রোয়াংছড়ি ও আলীকদমে সড়কে পানি নেমে গেলে যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে ৭ কোটি টাকা এবং দীর্ঘমেয়াদি টেকসই সংস্কারে ৪০ কোটি টাকার প্রয়োজন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান জানিয়েছেন, ‘জেলার ২১ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো সংস্কারে প্রায় ৪০ কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে।’